নির্জন কনডেম সেলে ৫ পুলিশ অফিসার সাথে অশ্লীল কাজে হাতে নাতে ধরা পড়লেন সেই মিন্নি!

বরগুনার বহুল আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলার ঘোষিত রায়ে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত রিফাতের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির দিনরাত কাটছে এখন কারাগারে। গেল বুধবার বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আছাদুজ্জামানের আদালত মামলার প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির মধ্যে ৬ জনের ফাঁসি ও ৪ জনকে খালাস দিয়ে রায় ঘোষণা করেন।

 

ওইদিনই মিন্নিকে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে নেয়া হয়। কনডেমড সেলে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত ৬ আসামির মধ্যে মিন্নি একাই নারী। বাকি ৫ জন পুরুষ।

 

কনডেমড সেলে প্রথম রাত কাটানোর পর গতকাল বৃহস্পতিবার কনডেম সেল থেকে বাবা-মায়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন মিন্নি। এসময় তিনি বেশ কান্নাকাটি করেন। বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর জানান, সকাল ১০টার দিকে মেয়ের সঙ্গে তাদের কথা হয়েছে।

 

মিন্নির বাবা বলেন, ‘মিন্নি খুব কান্নাকাটি করছে। মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে। ষড়যন্ত্র করে আমার মেয়েকে ফাঁসানো হয়েছে।’

 

বরগুনা জেলা কারাগারের কনডেমড সেলের একমাত্র নারী আসামি মিন্নি। জেলা কারাগারের জেল সুপার মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘কারাবিধি অনুযায়ী ৬ বন্দিকে কনডেমড সেলে রাখা হয়েছে। কারাগার থেকে প্রত্যেককে দুই সেট করে পোশাক দেয়া হয়েছে। কনডেমড সেলের বন্দিরা সেল থেকে বের হতে পারেন না। তবে মাসে একবার স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে পারেন। সপ্তাহে একবার নির্দিষ্ট সময় পরিবারের সঙ্গে ফোনে কথা বলতে পারেন।’

 

বুধবার ৫ পুরুষ আসামির সঙ্গে কনডেম সেলে রাত কাটানোর পর বৃহস্পতিবার সকালে মিন্নিকে রুটি খেতে দেয়া হয়। দুপুরের খাবারে ছিল ভাত, সবজি ও ডাল। রাতে গরুর মাংস, ভাত ও ডাল।

 

রিফাত শরীফ হত্যায় মৃত্যুদণ্ডপ্র

 

রায়ে আদালত মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি ৬ আসামির প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছেন। আদালত আসামিদের মৃত্যু নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তবে আসামিরা ৭ দিনের মধ্যে এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করতে পারবেন।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *